শরীফা ইসলাম রানী
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য। ফরজ ইবাদত করা বাধ্যতামূলক দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।এছাড়াও বেশি বেশি আল্লাহর জন্য জিকির এবং নফল ইবাদত করা প্রয়োজন।আর নফল ইবাদতের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে আল্লাহর জিকির।
যে ভাবে ইবাদতের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি তা নিম্নে সংক্ষিপ্ত ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি—
১)ইমান বা কালেমা।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ স্বীকারোক্তির পর আমরা আল্লাহর গোলাম।আমার এবং আমাদের একমাত্র পরিচয় হচ্ছে আমরা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের গোলাম।
২)আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং তাওয়াক্কুল করা।
৩)শিরক না করা। এটি কবিরা গুনাহ।শিরক অর্থ অংশীদারিত্ব।
আল্লাহর কোনো কর্মগুণ নাম বা ইবাদতে অন্য কোনো সৃষ্টিকে অংশীদার বানানো বা তাঁর সমকক্ষ মনে করাকে শিরক বলে।যা কবীরা গুনাহ।পাহাড় সমান অপরাধকে আল্লাহ ক্ষমা করলেও শিরক করাকে ক্ষমা করেন না।যে শিরক করে তাকে বলা হয় মুশরিক।যার স্থান জাহান্নাম।
৪)নিয়মিত নামাজ পড়া
৫)রমজানের রোজা পালন করা
৬)হজ্ব করা।( অর্থনৈতিক সামার্থ্য থাকলে)
৭) যাকাত প্রদান করা(অর্থনৈতিক সামার্থ্য থাকলে)
৮)যিকির বা তাসবিহ পড়া।
৯)তওবা পড়া
১০)নারীদের পর্দা করা
১১)ভদ্র নম্রভাষী হওয়া।
১২)ধৈর্যশীল হওয়া
১২)লজ্জাশীল হওয়া
১৩)গীবত না করা
১৪) অন্যের হক নষ্ট না করা
১৫)মিথ্যা কথা না বলা
১৬)কাউকে মিথ্যা অপবাদ না দেয়া।
১৭)কবর পুজা না করা
১৮)কবর না বাঁধা
১৯)সুদ না খাওয়া
২০)ঘুষ না খাওয়া।
২১)জিনা না করা
২২)অহংকার না করা
২৩)নিয়মিত পবিত্র কোরআন পড়া এবং সেই অনুযায়ী আমল করা।
২৪)হারামকে হালাল মনে না করা
২৫)সকল প্রকার অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা।
ইত্যাদির মাধ্যমে আমরা ইনশাআল্লাহ্ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নৈকট্য লাভ করতে পারবো।