মোঃ হাবীবুর রহমান
শুনেও আজান প্রতিদিন পাঁচ বার,
জামাতে যাওয়াই কভু হয়নি আমার!
দিনে দিনে দিন সবি’ হয়েছে কাবার;
ঘনিয়ে এসেছে সময় কবরে যাবার!!
খোদায় ঈমান মোর ছিলোনা তা নয়,
যথারীতি ছিলো ও-ই হাশরের ও ভয়;
ছিলো সবই মনে খুবই হালকা চেতনে,
তাই বুঝি কোন সাড়া দেইনি আজানে।
শোচনা ও শংকা পরকাল-ভীতি,
দুর্ভার চাপেই তো আছি যথারীতি!
সময় হারিয়ে আজ অসময়ে এসে,
বৃথা যতো আফসোস এ-ই বেলাশেষে!!
এখন …
শরীরে কুলোয় না তবুও মসজিদে যাই,
আমার মতোই কতো বুড়ো দেরে পাই।
লাঠি হাতে ঠকঠক ধীর পদে যায়,
ক্ষীণ প্রত্যাশা বশে; যদি ক্ষমা পায়!!
কবিতা সম্পর্কে
“বৃথা শোচনা” কথাটির অর্থ হলো—অকারণ দুঃখ করা,
নিরর্থকভাবে আফসোস বা শোক করা।
সাহিত্য, বিশেষত কবিতা ও গল্পে এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়
জীবনের এমন মুহূর্ত বোঝাতে, যখন মানুষ অতীতের ভুল, হারানো সুযোগ,
বা অপ্রাপ্তিকে নিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলে; অথচ তাতে কোনো সুফল মেলে না।
বাংলা সাহিত্যে অনেক কবি-সাহিত্যিক “বৃথা শোচনা”র বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।
জীবনের ব্যর্থতা, ভালোবাসায় বিফলতা,
কিংবা হারানো সময়কে নিয়ে যখন মানুষ কেবল হাহাকার করে, তখন তাকে বৃথা শোচনা বলা হয়।
আমাদের সম্পর্কে
স্বাগতম “শিরোনাম সাহিত্য”-এ — আমার হৃদয়ের ক্যানভাসে।
এই ব্লগটি আমার স্বপ্ন, ভাবনা আর সৃজনশীলতার একটি আড্ডাখানা।
এখানে বাংলা সাহিত্যের রঙে মুখর হয়ে ওঠে কবিতা, গল্প আর জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত।
আমি একজন গল্পকার, কবি এবং বাংলা ভাষার একনিষ্ঠ প্রেমিক।
“শিরোনাম সাহিত্য” আমার সেই প্রয়াস, যেখানে শব্দ দিয়ে গড়ে তুলি আবেগ, চিন্তা আর কল্পনার জগৎ।
এখানে পাবেন হৃদয় ছোঁয়া কবিতা, জীবনের গল্প, আর সাধারণ মুহূর্তের অসাধারণ রূপ।
আমার লক্ষ্য:
বাংলা ভাষার প্রেমীদের জন্য একটি আশ্রয় তৈরি করা।
যেখানে শব্দের জাদুতে আমরা সবাই হারিয়ে যেতে পারি।
khub sundor likhasen kobi………