সিরাজুল ইসলাম মুন্টু
এক মুঠো ভাতের আশায়
আইছি আমি ঢাকায়,
বউটারে আনছি সাথে
আসিনি আমি একাই।
ছেলে মেয়ে অনেক আছে
তবু গার্মেন্টেস খাটি,
কারো কাজে লাগিনা আমরা
বয়স গেছে ভাটি।
কাজে কামে ভুল হলে
গাল মন্দ খাই।
মেয়েদের দিয়েছি বিয়ে
জমি জিরাত বেচে,
ছেলের বউরা খুশি আছে
বাড়ি ঘরটা নিয়ে।
সব ছিলো একদিন
আজ কিছু নাই।
ভাত দিতে ঠেলা ঠেলি
লাগতোনা ভালো,
কখনো আবার ছেলে বউরা
করতো মুখ কালো।
জীবন বেলা যাচ্ছে বয়ে
দুজনে যা পাই।
মরার পরে ওরা যদি
পাইগো একটু খবর,
হয়তো বাড়ি নিয়ে গিয়ে
দিতে পারে কবর।
ওরা যেন ভালো থাকে
আজো সেটা চাই।
কবিতা সম্পর্কে
শেষ জীবনের গল্প মানে শুধু মৃত্যুর কথা নয়—
এটা আসলে জীবনের শেষ অধ্যায়ে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে ফিরে তাকানো।
শেষ জীবনে মানুষ আর বড় স্বপ্ন দেখে না,
দেখে ছোট ছোট সত্য।
যে কথাগুলো বলা হয়নি,
সেগুলো ভার হয়ে বুকে চাপে।
যে মানুষগুলো পাশে ছিল,
তাদের মুখ মনে পড়ে—
আর যারা ছিল না, তাদের শূন্যতাও।
এই সময়ে সাফল্য আর পরাজয়ের হিসাব গুরুত্ব হারায়,
গুরুত্ব পায় ভালোবাসা, ক্ষমা আর শান্তি।
আমাদের সম্পর্কে
স্বাগতম “শিরোনাম সাহিত্য”-এ — আমার হৃদয়ের ক্যানভাসে।
এই ব্লগটি আমার স্বপ্ন, ভাবনা আর সৃজনশীলতার একটি আড্ডাখানা।
এখানে বাংলা সাহিত্যের রঙে মুখর হয়ে ওঠে কবিতা, গল্প আর জীবনের ছোট ছোট মুহূর্ত।
আমি একজন গল্পকার, কবি এবং বাংলা ভাষার একনিষ্ঠ প্রেমিক।
“শিরোনাম সাহিত্য” আমার সেই প্রয়াস, যেখানে শব্দ দিয়ে গড়ে তুলি আবেগ, চিন্তা আর কল্পনার জগৎ।
এখানে পাবেন হৃদয় ছোঁয়া কবিতা, জীবনের গল্প, আর সাধারণ মুহূর্তের অসাধারণ রূপ।
আমার লক্ষ্য:
বাংলা ভাষার প্রেমীদের জন্য একটি আশ্রয় তৈরি করা।
যেখানে শব্দের জাদুতে আমরা সবাই হারিয়ে যেতে পারি।
6 thoughts on “শেষ জীবনের গল্প”